ওয়ার্ড ফাইল পেতে পেইড ভার্সন ব্যাবহার করুন Boy now

নবম-দশম শ্রেণি • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর

ssc ICT 1st chapter

অধ্যায়—১: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন-উত্তর:

১. লন্ডন বিজ্ঞান জাদুঘর যান্ত্রিকভাবে গণনা করতে সক্ষম ইঞ্জিন কত সালে তৈরি করে? ক. ১৮৩৩         খ. ১৮৪২         গ. ১৯৫৩             ● ১৯৯১

২. কোন আবিষ্কারকের আবিষ্কারের ফলে আজকের পৃথিবীতে ঘরে বসেই অফিসের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে?

● চার্লস ব্যাবেজ                                             খ. অ্যাডা লাভলেস        

গ. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল                            ঘ. জগদীশ চন্দ্র বসু

৩. ফেসবুকের নির্মাতা কে? 

ক. স্টিভ জবস        খ. বিল গেটস         ● মার্ক জাকারবার্গ         ঘ. টিমু বার্নার্স লি

৪. সরকারি কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে—

i. স্বল্পসময়ে সরকারি সেবা পাওয়া যাবে             ii. সরকারি সেবার মান উন্নত হবে 

iii. ছুটির দিনেও অনেক সরকারি সেবা পাওয়া যাবে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii             খ. i ও iii             গ. ii ও iii                 i, ii ও iii


নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫ ও ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও:

সুমন সেন্টমার্টিন বেড়াতে যেয়ে অসুস্থ হয়ে গেলে ফোনে সে ঢাকায় একজন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে। তিনি সুমনকে দ্রুত হাসপাতালে যেতে বলেন। পরে হাসপাতালের ডাক্তার ঢাকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে সুমনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন।

৫. স্থানীয় ডাক্তার যে পদ্ধতিতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন তা হলো-

i. টেলিমেডিসিন সেবা                 ii. ই-স্বাস্থ্যসেবা                     iii. ই-কমার্স সেবা

নিচের কোনটি সঠিক?     ● i ও ii             খ. i ও iii         গ. ii ও iii             ঘ. i, ii ও iii

৬. সুমনের চিকিৎসায় কোন প্রযুক্তিটির ভূমিকা প্রধান?

● আইসিটি             খ. টেলিভিশন                 গ. রোবট             ঘ. কম্পিউটার


সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর:

৭. কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুর চর গ্রামের মিলন বাড়িতে বসেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কীভাবে তাকে সাহায্য করতে পারে?

উত্তর: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুর চর গ্রামের মিলন এখন নিজ গ্রামেই বসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে, যা সম্ভব হবে ই-লার্নিং পদ্ধতির মাধ্যমে। ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক লার্নিং এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষালাভের একটি আধুনিক পদ্ধতি। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো স্থান থেকে এই কোর্স করতে পারে। মিলনও চাইলে এসব কোর্সে ভর্তি হয়ে ভিডিও লেকচার দেখতে, লাইভ ক্লাসে অংশ নিতে, হোমওয়ার্ক জমা দিতে এবং অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে। তবে ই-লার্নিং ব্যবহারের জন্য মিলনের কাছে কম্পিউটার, উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, আইএসপি ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার থাকতে হবে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিলন ঘরে বসেই উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারবে এবং নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির ফলে গ্রামাঞ্চলেও উচ্চশিক্ষা এখন সহজলভ্য হয়ে উঠেছে।

৮. বাংলাদেশের বেকার সমস্যা দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী কী সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, এবং বাংলাদেশও এই পরিবর্তনের অংশ। আমাদের দেশের শিক্ষিত বেকার সমস্যা সমাধানে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মধ্যে আউটসোর্সিং অন্যতম, যা অনেকের জন্য স্থায়ী পেশায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতিবছর আউটসোর্সিং থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে, এবং শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই খাতে কাজ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও অনেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করছে, যার ফলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং বেকারত্ব কমছে। ইন্টারনেটের প্রসারের কারণে ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে জানা সম্ভব হচ্ছে।

Post a Comment